প্রতিটা প্রোডাক্ট সম্পর্কে পরিপূর্ন ভাবে বিস্তারিত লিখুন। খেয়াল রাখুন প্রোডাক্ট সম্পর্কে যেন কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ না যায়। মনে রাখবেন পরিপূর্ন তথ্যের অভাবে কাস্টমারের মনে কনফিউশন তৈরি হলে সেলিং ব্যহত হতে পারে। প্রোডাক্টের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশের স্পষ্ট ছবি ব্যবহার করুন। অধিক আকর্ষণীয় তৈরির করার জন্য কখনই কোন ভুল তথ্য ব্যবহার করবেন না।
Jun 25, 2015
ই-কমার্স মার্কেটিং টিপস
কনটেন্ট মার্কেটিং
গুগোল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার ই-কমার্স সাইট খুঁজে পেতে হলে অবশ্যই ইন্টারনেটের সাথে কনটেন্ট গুলোর লিংককিং করা থাকতে হবে। সেই জন্য আপনার সাইটের আর্টিকেল ও কনটেন্ট দিয়ে বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, ফোরাম ও সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে ব্যাক লিংক তৈরি করতে হবে। শেয়ারিং এর সুবিধার্থে আপনার ই-কমার্স সাইটে শেয়ারিং বাটন চালু
ই-কমার্স বিজনেসের ক্ষেত্রে বড় ৫টি ভুল
কাজ সঠিকভাবে না বোঝা
অনেক মানুষ আছে যারা সঠিকভাবে না জেনে বুঝেই, সহজ এবং দ্রুত ইনকামের আশায় ই-কমার্স বিজনেস শুরু করে। তার ফল হিসেবে বিজনেসের বিভিন্ন কাজ কিভাবে করবে তা বুঝে উঠতে পারে না। যেহেতু ই-কমার্স বিজনেস সম্পুর্ন অনলাইন ভিত্তিক, তাই এই বিজনেস করার জন্য অনেক জ্ঞান এবং কিছু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। পন্য কোথা থেকে এবং কিভাবে আনতে
ই-কমার্স বিজনেস শুরুর ক্ষেত্রে ৩টি লক্ষণীয় বিষয়
পণ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে
পন্য নির্বাচন ই-কমার্স বিজনেসের অনেক গুরুতপুর্ন একটা বিষয়। কি পন্য নিয়ে বিজনেস শুরু করবেন? কেমন পন্য নিয়ে বিজনেস শুরু করবেন? কি ধরনের পন্য নিয়ে বিজনেস শুরু করবেন? এই গুলো খুব বিচক্ষণতার সাথে দেখতে হবে। ই-কমার্স বিজনেসের পন্য গুলো অবশ্যই যেন গুণগতমান সম্পন্ন হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অন্যদিকে পন্য গুলোর লোকাল
যে ভাবে শুরু করবেন ই-কমার্স বিজনেস
পরিকল্পনা
যে কোন কাজের শুরুতে চাই পরিকল্পনা। পরিকল্পনা ক্ষেত্রে আর কোন সুযোগ কোথাও দেয়া নেই। তাই ই-কমার্স বিজনেস শুরুর ক্ষেত্রেও চাই সুন্দর এবং গোছালো একটি পরিকল্পনা। বিজনেসের মূলধন থেকে শুরু করে লভ্যাংশ কিভাবে খরচ করবেন, সবই এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। তাই আপনার বিজনেসের ধরন এবং আকার অনুযায়ী সুন্দর একটি পরিকল্পনা করে নিতে হবে ই-কমার্স বিজনেস শুরুর পূর্বে। আর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কখনই জটিলতা রাখবেন না। বিজনেসের সার্বিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা তৈরি করুন।






